জাপানি টোটকায় মুক্তি পান কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে, জেনে নিন এক্ষেত্রে জলই কিভাবে যোগাবে ভরসা

13th December 2023 9:23 pm Country News
জাপানি টোটকায় মুক্তি পান কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে, জেনে নিন এক্ষেত্রে জলই কিভাবে যোগাবে ভরসা


শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সচল রাখতে জলের গুরুত্ব কারও অজানা নয়। কেবল গরমকালেই নয়, ডিহাইড্রেশনে ঝুঁকি কমাতে সারা বছরই বেশি করে জল খেতে হবে। ওজন কমতেও পারে জলের গুণে। ওয়াটার থেরাপি করেই জাপানিরা ওজন ঝরান! জাপানিরা দীর্ঘকাল ধরেই রোগা হওয়ার দাওয়াই হিসাবে এই জলের টোটকা ব্যবহার করে আসছেন। তবে শুধু ওজন ঝরাতেই নয়, শরীর চাঙ্গা রাখতেও জাপানিরা এই থেরাপি মেনে চলেন।

বেশি জল খেলে মাইগ্রেনের সমস্যা কমে। বিপাকহার বৃদ্ধি করতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও এই থেরাপি বেশ কার্যকর। শীতকালে জলের অভাবে ত্বক শুষ্ক দেখায়। জল বেশি করে খেলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়, জেল্লা বাড়ে।

 

কী ভাবে করবেন ওয়াটার থেরাপি?

১) ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে চার থেকে পাঁচ গ্লাস জল খেতে হবে। শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করবে এই অভ্যাস।

 

২) দাঁত ব্রাশ করার আগেই জল খেয়ে নিতে হবে। জল খাওয়ার ৪৫ মিনিটের মধ্যে কিছুই খাওয়া যাবে না। ৪৫ মিনিট পর প্রাতরাশ করতে পারেন।

৩) দিনের যে কোনও খাবার ১৫ মিনিটের বেশি সময় ধরে খাওয়া যাবে না। এক বার খাবার খাওয়ার পর কোনও ভাবেই দু’ঘণ্টা জল বা অন্য কোনও খাবার খাওয়া চলবে না।

 

৪) শারীরিক কোনও সমস্যা থাকলে বা বার্ধক্যজনিত কারণে হঠাৎ সকালে অনেকেই হয়তো চার গ্লাস জল এক বারে খেতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে আস্তে আস্তে জলের পরিমাণ বাড়ান। প্রথমে শুরু করুন সকালবেলা বাসি মুখে এক গ্লাস জল দিয়ে।

 

৫) এই থেরাপি চলার সময়ে জল হোক বা অন্য কোনও খাবার— কখনওই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খাবেন না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।