৫ উপায়: জানা থাকলে হঠাৎ কমে যাওয়া রক্তের চাপ স্বাভাবিক হবে

9th December 2023 12:53 pm Country News
৫ উপায়: জানা থাকলে হঠাৎ কমে যাওয়া রক্তের চাপ স্বাভাবিক হবে


ঘুম থেকে উঠতেই হঠাৎ মাথা ঘুরছে। রাতে উল্টোপাল্টা কিছু খাওয়া হয়নি। কিন্তু হাত-পা এমন অবশ হয়ে যাচ্ছে যে, বিছানা ছেড়ে ওঠার উপায় নেই। বাড়িতে রাখা রক্তচাপ মাপার যন্ত্র দিয়ে দেখলেন, রক্তের চাপ বেশ কম। যাঁদের রক্তের চাপ বেশি, তাঁরা যেমন চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নিয়মিত ওষুধ খান, রক্তের চাপ কমে গেলে তো চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে নিজে থেকে ওষুধ খেয়ে ফেলা যায় না। কিন্তু ঘরোয়া কিছু টোটকা আছে, যা রক্তের চাপ কমে গেলে তা আবার আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে পারে।

১) খাবারে নুনের পরিমাণ একটু বাড়িয়ে নিন

 

বাড়ির প্রেশার মাপার যন্ত্রটিতে হঠাৎ যদি রক্তের চাপ কম দেখেন, তা হলে জলে সামান্য নুন-চিনি গুলে খেতে পারেন। তবে সকলের জন্য এই নিদান সমান কার্যকর নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়াই ভাল।

২) পর্যাপ্ত জল খান

 

খুব বেশি জল খেলে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে। তাই বলে কম জল খেলেও হবে না। শরীর যেন ডিহাইড্রেটেড না হয়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। ডাবের জল, লেবুর রস খেতে পারলে ভাল হয়।

 

৩) পায়ের তলায় বালিশ দিয়ে শুয়ে থাকুন

 

রক্তের চাপ কমে গিয়ে হঠাৎ মাথা ঘুরলে, শরীর ক্লান্ত বা অবসন্ন লাগলে তৎক্ষণাৎ শুয়ে পড়ুন। তবে রক্ত সঞ্চালন যাতে ভাল হয়, তার জন্য পায়ের তলায় দু’টি বালিশ উঁচু করে দিয়ে রাখুন।

৪) এক কাপ কফি খেয়ে দেখতে পারেন

 

তৎক্ষণাৎ রক্তের চাপ বাড়িয়ে তুলতে দারুণ কাজ করে এক কাপ কফি। যদিও অতিরিক্ত ক্যাফিন শরীরের জন্য ভাল নয়। কারণ, তা শরীরকে ডিহাইড্রেটেড করে দিতে পারে।

 

৫) অ্যারোমাথেরাপি

 

গন্ধ চিকিৎসাতেও অনেক সময়ে রক্তের চাপ স্বাভাবিক হতে পারে। রোজ়মেরি তেমনই একটি এসেনশিয়াল অয়েল। ডিফিউজ়ারে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে, সেই গন্ধ শুঁকলে রক্তচাপ আবার স্বাভাবিক পর্যায়ে আসতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।