তিন বছর পরে সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন কাস্টিং ছাবড়া

4th December 2023 10:57 pm Country News
তিন বছর পরে সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন কাস্টিং ছাবড়া


২০২০ সালের জুন মাস। ১৪ জুন অতিমারি ও লকডাউনের আবহে এসেছিল সেই দুঃসংবাদ। প্রয়াত হয়েছেন সুশান্ত সিংহ রাজপুত। মুম্বইয়ের বান্দ্রায় নিজের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল বলিউড অভিনেতার ঝুলন্ত দেহ। সুশান্তের মৃত্যুতে শোকবিহ্বল হয়ে পড়েছিলেন তাঁর অনুরাগীরা। বাদ যায়নি বলিপাড়াও। তার চেয়েও বেশি করে উঠে এসেছিল একাধিক প্রশ্ন। কী ভাবে মৃত্যু হল ‘কাই পো চে’ খ্যাত অভিনেতার? আত্মহত্যা, নাকি অন্য কিছু, সুশান্তের মৃত্যু ঘিরে ধোঁয়াশা কাটেনি তিন বছর পরেও। সপ্তাহখানেক আগে তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকা ও টেলি অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডে ‘বিগ বস্ ১৭’-এর ঘরে জানিয়েছিলেন, তিনি নাকি জানেন ঠিক কী কারণে মৃত্যু হয়েছিল সুশান্তের। এ বার সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন প্রয়াত অভিনেতার প্রিয় বন্ধু ও কাস্টিং পরিচালক মুকেশ ছাবড়া।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রয়াত প্রিয় বন্ধুকে নিয়ে মুখ খোলেন মুকেশ। তাঁর কথায়, ‘‘আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু ছিল ও। আমি যদি জানতাম, অতিমারির সময় ওর মানসিক অবস্থা এতটা খারাপ হয়ে গিয়েছে, তা হলে আমি নিজে গিয়ে ওর সঙ্গে কথা বলতাম। আমাদের এমনি কথাবার্তা তো হতোই। দেখা-সাক্ষাৎও হতো মাঝেমধ্যেই। ওর প্রথম থেকে শেষ ছবি পর্যন্ত ওর সঙ্গে আমার সমীকরণ কখনও বদলায়নি।’’ তবে কি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়েই চরম পদক্ষেপ করেছিলেন সুশান্ত? মুকেশ বলেন, ‘‘সুশান্ত অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ ছিল। ও নিজের ব্যাপারে একটাও খারাপ লেখা পড়তে পারত না। পড়লেই ওর মেজাজ বিগড়ে যেত।’’ তা হলে কি এই প্রবণতাই সুশান্তকে চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছিল? এ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি আজও।

কাস্টিংয়ের পাশাপাশি ছবি পরিচালনার জগতেও ইতিমধ্যেই পা রেখেছেন মুকেশ। নিজের প্রথম ছবিতে নায়ক হিসাবে সুশান্তকে পেয়েছিলেন তিনি। ২০২০ সালে সুশান্তের মৃত্যুর পরে মুক্তি পেয়েছিল সেই ছবি ‘দিল বেচারা’। আজও ওই ছবির গান শুনলেই নাকি নিজের প্রিয় বন্ধুকেই সবচেয়ে বেশি মিস্ করেন মুকেশ।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।