মাত্র ৬০ টাকায় এক কেজি কী এই ভারত ডাল প্রকল্প

14th November 2023 3:29 pm Country News
মাত্র ৬০ টাকায় এক কেজি কী এই  ভারত ডাল প্রকল্প


মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই পদক্ষেপগুলির মধ্যে একটি হল 'ভারত ডাল' ব্র্যান্ড নামে ছোলার ডাল বিক্রি।মূল্যবৃদ্ধিতে জেরবার সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে কেন্দ্রীয় সরকার চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে এই ডাল বিক্রি শুরু করে। যা 'ভারত ডাল' নামে বিক্রি হচ্ছে।এই ডাল ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (NAFED), ন্যাশনাল কনজিউমারস কো-অপারেটিভ ফেডারেশন (NCCF), কেন্দ্রীয় ভাণ্ডার এবং সফল (Safal)-এর মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে।উল্লেখ্য, দেশে ডালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার ছোলার ডাল, মটর ডাল, মুগ ডাল, অড়হর ডাল এবং মসুর ডালের মজুত রাখে। বাজারে ডালের দাম বাড়লে সরকার এই মজুদ ছেড়ে দেয়। পাশাপাশি, দেশীয় বাজারে ডালের চাহিদা পূরণে অনেক সময় আমদানিতেও শুল্ক মকুব করা হয়। ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত মসুর ডালের আমদানি শুল্কও কমানো হয়েছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকার দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।এর আগে, ময়দার দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে মোদী সরকার কম দামে আটা বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এই আটা ভারত ব্র্যান্ডের নামেও বিক্রি করা হবে এবং এর নাম দেওয়া হয়েছে 'ভারত আটা'।কেন্দ্রীয় সরকার 'ভারত আটা' বিক্রি করছে প্রতি কেজি ২৭.৫০ টাকা দরে। ইকোনমিক টাইমস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাফেড, এনসিসিএফ এবং কেন্দ্রীয় ভাণ্ডারের দুই হাজারেরও বেশি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই আটা বিক্রি করা হবে। এ ছাড়া সারা দেশে ৮০০ মোবাইল ফোনে অর্ডার নেওয়ার মাধ্যমেও এই আটা বিক্রি করা হবে।গত কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতিতে সমস্যায় পড়লেও অক্টোবরের মূল্যস্ফীতির তথ্য কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। জুলাই থেকে টানা তৃতীয় মাসে খুচরো মূল্যস্ফীতি কমছে। ভোক্তা মূল্য সূচক ৪.৮৭ শতাংশে নেমে এসেছে। এর আগে সেপ্টেম্বরে তা ছিল ৫.০২ শতাংশ।

 

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।