রেলে বাজি নিয়ে ভ্রমণ এড়াতে ব্যাগ তল্লাশি

12th November 2023 9:36 am Country News
রেলে বাজি নিয়ে ভ্রমণ এড়াতে ব্যাগ তল্লাশি


ট্রেনে পর পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বিগ্ন রেল। কালীপুজো ও দীপাবলির মরসুমে টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে থাকায় একাধিক বিশেষ ট্রেন চালাতে হচ্ছে। লোকাল ট্রেনেও ঠাসাঠাসি ভিড়। এই অবস্থায় লুকিয়ে আতশবাজি-সহ দাহ্য বস্তু ট্রেনে পরিবহণের আশঙ্কা এড়াতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে রেল। তারই অঙ্গ হিসাবে হাওড়া, শিয়ালদহের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে পার্সেল ভ্যান পরীক্ষা করা ছাড়াও যাত্রীদের ব্যাগ খুলে পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে রেল সূত্রের খবর।মালদহ, আসানসোলেও একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে।রেলের আইন অনুযায়ী, দাহ্য বস্তু ট্রেনে নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ। এর জন্য ১০০০ টাকা জরিমানা বা তিন বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। যাত্রীদেরও সচেতন করা হচ্ছে। কলকাতা, উত্তর এবং দক্ষিণ শহরতলির একাধিক স্টেশনে, বিশেষত বাজি বাজার সংলগ্ন স্টেশনে শনিবার যাত্রীদের ব্যাগ পরীক্ষা করেছেন রেলরক্ষীরা। যাত্রীদের একাংশের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ধূমপানের অভ্যাস রয়েছে, যা রেলের আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অনেকেই জ্বলন্ত সিগারেটের টুকরো বেসিন লাগোয়া ডাস্টবিনে ফেলে দেন বলে অভিযোগ। ওই প্রবণতা থেকেও অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা থাকে। তাই দূরপাল্লার ট্রেনে টিকিট পরীক্ষক, রেলরক্ষী বাহিনীর কর্মী-সহ কোচ অ্যাটেন্ড্যান্টদেরও বিশেষ নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে। এ দিন শিয়ালদহ স্টেশনে দূরপাল্লার যাত্রীদের ব্যাগ পরীক্ষা করেন আরপিএফ ও রেলের আধিকারিকেরা। বাতানুকূল ও সাধারণ কামরায় থাকা মোবাইলের চার্জিং পয়েন্ট-সহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে আগুন ছড়ানো নিয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এক রেল আধিকারিক বলেন, ''উত্‍সবের মরসুমে বহু যাত্রী রেলে সফর করছেন। সে জন্যই বাড়তি সতর্কতা ও নজরদারি।''





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।