ভারত জিতলেও ফাটবে না আতশবাজি, হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগেই তোলপাড় ফেলা সিদ্ধান্ত BCCI-এর

1st November 2023 11:06 am Country News
ভারত জিতলেও ফাটবে না আতশবাজি, হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগেই তোলপাড় ফেলা সিদ্ধান্ত BCCI-এর


ভারত বিশ্বকাপের যে কোন ম্যাচে জয়ী হলেও দিল্লি-মুম্বইয়ের স্টেডিয়ামে ফাটানো যাবে না আতশবাজি। বিসিসিআইয়ের এমন সিদ্ধান্ত ঘিরে রীতিমত তোলপাড় শুরু হয়েছে ।আগামীকালের ম্যাচে ভারত জিতলেও ফাটানো যাবে না আতশবাজি। এমনই সিদ্ধান্ত বিসিসিআইয়ের।দিল্লি সহ চার রাজ্যকে বায়ুদূষণের রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। দিল্লি ও মুম্বইয়ের বায়ুদূষণ রীতিমত ভয় ধরাতে শুরু করেছে। ভারতের অনেক শহরেই বাসিন্দাদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ। দূষণের কারণে মানুষের শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে। দিল্লি-মুম্বই সহ আরও তিন রাজ্যের বায়ুদূষণের মাত্র নিয়ে রীতিমত চিন্তিত শীর্ষ আদালত। ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলির কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আর বাড়তে থাকা বায়ুদূষণের মাঝেই বিরাট পদক্ষেপ বিসিসিআইয়ের। দিল্লি-মুম্বইয়ে মাত্রাছাড়া বায়ুদূষণ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।মুম্বই এবং দিল্লিতে বায়ুদূষণের কথা মাথায় রেখেই আসন্ন ম্যাচগুলিতে আতশবাজি না ফাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে দেওয়া এক সাক্ষাত্‍কারে এমনটাই জানিয়েছেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ এই তথ্য জানিয়েছেন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সাথে কথা বলতে গিয়ে শাহ বলেন,'আমি এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির কাছে উত্থাপন করেছি। তারপরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে মুম্বই এবং দিল্লিতে আসন্ন ম্যাচগুলিতে কোনও আতশবাজি ফাটানো হবে না। কারণ এর ফলে দূষণের মাত্রা আরও বাড়তে পারে। বোর্ড পরিবেশের সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলি নিয়ে উদ্বিগ্ন'।আবহাওয়া সম্পর্কে কথা বলতে গেলে, কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (CPCB) অনুসারে, ৩১ অক্টোবর মুম্বাইতে বায়ু গুণমান সূচক (AQI) ছিল 172। যা 'মাঝারি' মানে পড়ে। বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সে AQI 260 এ পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে, 31শে অক্টোবর, বোম্বে হাইকোর্ট শহরের বাযভারতীয় ক্রিকেট দল আগামী ২ নভেম্বর মুম্বইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামছে । যেখানে দিল্লিতে পরবর্তী ম্যাচ ৬ নভেম্বর বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।