কখন-কোথা থেকে দেখা যাবে গগনযান উত্‍ক্ষেপণে লাইভ স্ট্রিমিং? বিস্তারিত জানুন

21st October 2023 6:04 pm Country News
কখন-কোথা থেকে দেখা যাবে গগনযান উত্‍ক্ষেপণে লাইভ স্ট্রিমিং? বিস্তারিত জানুন


শুক্রবার আর এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত তৈরি হতে চলেছে। সপ্তমীর সকালে গগনযানের প্রথম পরীক্ষামূলক উত্‍ক্ষেপণ হতে চলেছে।কোথা থেকে দেখা যাবে?এটি একটি স্বল্প-মেয়াদি মিশন। লঞ্চ ভিউ গ্যালারি থেকে দেখা যাবে। আগে থেকে যাঁরা রেজিস্ট্রেশন করিয়ে রেখেছেন (জনসাধারণ ও শিক্ষার্থী) তাঁরা লঞ্চ ভিউ গ্য়ালারি থেকে উত্‍ক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। উল্লেখ্য, ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সন্ধ্য়া ৬টা থেকে https://lvg.shar.gov.in/VSCREGISTRATION/index.jsp ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ মিলছে। মিশনের সব আপডেট এই লিঙ্কে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।আর কোথা থেকে লাইভ দেখা যাবে?তবে অন্য়ান্যবারের মতো এবারও লাইভ সম্প্রচার দেখার ব্যবস্থা রেখেছে ইসরো। ইসরো জানিয়েছে, ২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৭টা থেকে লাইভ দেখা যাবে। মহাকাশচারী পাঠানোর লক্ষ্যে ইসরো গগনযান অভিযান করতে চলেছে। ৪০০ কিলোমিটার কক্ষপথে মহাকাশচারীদের পাঠানো ও তাঁদের নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা এই অভিযানে প্রধান লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য়ে পৌঁছতে হলে একাধিক ধাপ বা পর্য়ায় সফল ভাবে পার করাও জরুরি। ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই অভিযানের যে Crew Module রয়েছে সেটি নির্মাণের নানা স্তর থাকে। এরই মধ্যে একটি হল টেস্ট ভেহিকে অ্যাবর্ট মিশন বা টিভি-ডি১। ইসরো সূত্রে খবর, টিভি ডি-১ ক্রু মডিউলের একটি 'আনপ্রেশারাইজ ভার্সন'। ২১ অক্টোবর শ্রীহরিকোটা থেকে এটিরই পরীক্ষামূলক উড়ান হবে। ইসরো জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে অবতরণের পর এই ক্রুল মডিউলটি উদ্ধার করে আনা হবে। সে জন্য তৈরি রয়েছে একটি ভেসেল এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি টিমও।










 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।