ঘন ঘন গ্রিন টি-তে চুমুক দিলেই কি ওজন কমবে? চা বানানো ও খাওয়ার সময়ে কী কী ভুল করলেই মুশকিল?

28th September 2024 7:40 pm Country News
ঘন ঘন গ্রিন টি-তে চুমুক দিলেই কি ওজন কমবে? চা বানানো ও খাওয়ার সময়ে কী কী ভুল করলেই মুশকিল?


গ্রিন টি খাচ্ছেন সে ভাল কথা, কিন্তু নিয়ম মেনে খাচ্ছেন তো? গ্রিন টি-কে সাধারণ লিকার চা বা দুধ চায়ের সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে হবে না। এই চা যেমন খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় আছে, তেমনই পদ্ধতিও আছে। ঘন ঘন চায়ে চুমুক দিলেই যে বেশি উপকার পাবেন, এই ধারণা ভুল। বরং পরিমিত ও নিয়ম মেনে খেলেই গ্রিন টি-তে ভরপুর উপকার পাওয়া যাবে।

কী কী নিয়ম মানতে হবে?

 

১) গ্রিন টি-তে ভুলেও চিনি বা গুড় দেবেন না। মিষ্টি দেওয়া গ্রিন টি খেলে কোনও লাভই হবে না।

 

২)পুষ্টিবিদ শম্পা চক্রবর্তীর পরামর্শ, গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম হল ভরা পেটে খাওয়া। সকালে খালি পেটে গ্রিন টি খেয়ে ফেললেই বিপদ। এর ট্যানিন বদহজম, গ্যাস-অম্বলের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

৩) খাবার খাওয়ার অন্তত ঘণ্টা দুয়েক পরে গ্রিন টি খেলে সুফল পাওয়া যাবে। খেয়ে উঠেই গ্রিন টি-তে চুমুক দিলে কিন্তু কোনও লাভই নেই।

 

৪) রাতের খাওয়ার পরে অনেকেই শোয়ার আগে গ্রিন টি খান। এই অভ্যাস কিন্তু ভাল নয়। কারণ এই চায়ের ট্যানিন আয়রন, জ়িঙ্ক, ম্যাগনেশিয়াম হজম করতে পারে না। তাই রাতে খেলে খাবারের পুষ্টি উপাদানগুলি হজম হবে না। ফলে বদহজমের সমস্যা দেখা দেবে। পেটের গোলমালও হতে পারে।

 

৫) গ্রিন টি খাওয়ার পর পরই কোনও রকম ওষুধ খাবেন না। এতে ওষুধের উপাদানগুলি গ্রিন টি-র সঙ্গে বিক্রিয়া করে বদহজমের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

 

৬) একই টি-ব্যাগ একাধিক বার ব্যবহার না করাই ভাল। তাতে উপকার তো হবেই না, রেখে দেওয়া চায়ের ব্যাগে জীবাণুও জন্মাতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।