দেশের হয়ে শেষ টি টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ফেললাম বিশ্বকাপ জিতে ঘোষণা করলেন বিরাট কোহলি

30th June 2024 9:23 am Country News
দেশের হয়ে শেষ টি টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ফেললাম বিশ্বকাপ জিতে ঘোষণা করলেন বিরাট কোহলি


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেই এই ফরম্যাট থেকে অবসর নিলেন বিরাট কোহলি। ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিতে এসে নিজের মুখেই এ কথা ঘোষণা করে দিলেন তিনি। সঞ্চালক হর্ষ ভোগলের প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, বিশ্বকাপ ফাইনালই তাঁর শেষ ম্যাচ হয়ে থাকল। এ বার পরের প্রজন্মকে জায়গা ছেড়ে দিতে চান।শনিবারের ম্যাচে ধৈর্য রেখে ৭৬ রানের ইনিংস খেলেন কোহলি।শেষ পর্যন্ত ওই ইনিংস ভারতকে বড় স্কোরে দাঁড় করিয়ে দেয়। কোহলি ম্যাচের সেরার পুরস্কার নিতে এসে বলেন, 'এটাই আমার শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছিল। ঠিক যেটা অর্জন করতে চেয়েছিলাম সেটাই করেছি। মাঝে মাঝে এটা মনে হয় যে আপনি হয়তো রান পাচ্ছেন না। তার পরেই একটা বড় রান চলে আসে। আসলে আমার কাছে ব্যাপারটা ছিল, হয় এখন, না হলে কখনও নয়।'তখনও কোহলি পরিষ্কার করে ইঙ্গিত দেননি যে তিনি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিচ্ছেন। সঞ্চালক ভোগলে আবার সেই প্রশ্ন করেন। কোহলি বলেন, 'এটাই ভারতীয় দলের হয়ে আমার শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল। আমরা বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম। জোর করে কোনও পরিস্থিতি তৈরি করার থেকে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উচিত। সবাই জানত এর পরে কী হতে চলেছে। এটাই সময় নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার। অসাধারণ সব ক্রিকেটার রয়েছে দলে। ওরাই দলকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং দলকে আরও উঁচুতে তুলবে।'টি-টোয়েন্টিতে ১২৫টি ম্যাচ খেলেছেন কোহলি। ৪৮.৬৯ গড়ে ৪১৮৮ রান করেছেন। একটি শতরান করেছেন। সেটি এসেছিল গত বছর এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া কোহলির ৩৮টি অর্ধশতরান রয়েছে। হারারে-তে জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ২০১০ সালে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়েছিল তাঁর। ঘটনাচক্রে, কোহলির অবসরের পর আবার বিশ্বকাপ সফরে যাবে ভারত। সেই সফরে নির্বাচিত করা হয়েছে তরুণ প্রজন্মকেই। যেমন ভাবে নেওয়া হয়েছিল কোহলিকে।২০০৭ সালে ভারত প্রথম বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল। ১৭ বছর পর আবার জিতল। মাঝের এই সময়টায় কী কষ্ট করতে হয়েছে সেটা উঠে এসেছে কোহলির কথায়। বলেছেন, 'এত বছর ধরে একটা বিশ্বকাপ জেতার জন্য আমরা অপেক্ষা করেছি। রোহিতের মতো ক্রিকেটারের দিকে তাকিয়ে দেখুন। ৯টা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছে। আমার সেখানে ছ'টা। রোহিত এই ট্রফির যোগ্য। এই মুহূর্তে আবেগ ধরে রাখা আমার কাছে কঠিন।'

 

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।