ওষুধ না খেয়েও কমবে ব্যাকপেইন কীভাবে কমাবেন দেখুন ?

13th May 2024 8:45 pm Country News
ওষুধ না খেয়েও কমবে ব্যাকপেইন কীভাবে কমাবেন দেখুন ?


ব্যকপেইন বা পিঠের ব্যথা আমাদের খুব সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যারা কম্পিউটারের সামনে দিনের একটা বড় সময় কাটান তাদের বেলায় এই সমস্যা খুবই প্রকট। আর শারীরিক ভঙ্গিমার ভুল করাতে তাদের ক্ষেত্রেই বেশি দেখা যায় ব্যাক পেইন। ব্যাক পেইন এড়াতে অনেকে মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়ে থাকেন।হাফিংটন পোস্ট জানায়, ব্যাক পেইন সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণার রিভিউ থেকে দেখা যায়, এই সমস্যার সবচাইতে ভালো সমাধান হলো ব্যায়াম। শুধু ব্যায়ামই নয়। বরং ব্যায়ামের পাশাপাশি কীভাবে ব্যাক পেইন প্রতিরোধ করা যায় সেই জ্ঞান থাকাটাও জরুরী। কোনো ভারি জিনিস ওঠানোর সময় কী করতে হবে, কী করে দাঁড়ালে বা বসলে ব্যাক পেইন কম হবে এসব ব্যাপারে জানা থাকাটা জরুরী।৩১ হাজার মানুষের উপর চালানো মোট ২৩টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আসলেই শুধু ব্যায়াম করলেই ব্যাক পেইন কমে এবং ব্যাক পেইনের ঝুঁকিও কমে। এর পাশাপাশি ব্যাক পেইন কিভাবে কম রাখা যায়, সে বিষয়ে জ্ঞান থাকলেও এর ঝুঁকি কমানো সম্ভব হয় ৪৫ শতাংশ। শুধু ব্যায়ামের মাধ্যমেই মোটামুটি অর্ধেক কমিয়ে ফেলা যায় পিঠ ব্যাথার এই ঝুঁকি।আর যখনই আপনি এ সমস্যায় পড়বেন নিজের সব কাজকর্ম বাদ দিয়ে বসে থাকবেন না। সচল থাকুন, দেখবেন ব্যথা আর বাড়তে পারবে না। আর বাড়িতে একটু চেষ্টা করলেই কমাতে পারেন এই অসহ্য ব্যথা। চলুন তাহলে জেনে নেই কীভাবে পিঠের ব্যথা দূর করা যাবে।

এক. অফিসে অনেকক্ষণ টানা বসে থাকবেন না। মাঝে মাঝে উঠুন, একটু হাঁটাচলা করুন। আর গদি চেয়ার পরিহার করে চেষ্টা করুন কাঠের অথবা প্লাস্টিকের চেয়ার ব্যবহার করতে।

দুই. ভারী জিনিস বেশিক্ষণ টানাটানি করলে ব্যাক পেইন হতে পারে। খুব বেশি সময় এই কাজ করবেন না। মাঝে মাঝে বিশ্রাম নিন।

তিন. আর ব্যাকপেইনের সমস্যা নিয়মিত দেখা দিলে আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

চার. ব্যাকপেইন কমানোর জন্য ফিটনেস এক্সপার্টের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করার জন্য। আমরা জানিয়ে দিচ্ছি কিছু এক্সারসাইজের নিয়মাবলি।

স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ

পাঁচ. লো ব্যাকপেইন কমানোর জন্য এই এক্সারসাইজ করতে পারেন। সিঁড়ির সামনে সোজা হয়ে দাঁড়ান। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।