কলকাতায় ৪১ ডিগ্রি ছাড়াল আরও ২ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা? চরম তাপপ্রবাহের লাল সতর্কতা

27th April 2024 7:30 pm Country News
কলকাতায় ৪১ ডিগ্রি ছাড়াল আরও ২ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা? চরম তাপপ্রবাহের লাল সতর্কতা


একটানা কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির উপরে। সেই ২০১৪ সালে এমন আবহাওয়ার এমন চরম পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভাঙতে চলেছে। একটানা এমন গরম এবং তাপপ্রবাহ আগে কখনও হয়নি মহানগরে।গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। গরম পড়েছে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকাতেও।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি পার করে ফেলেছে। বেলা আড়াইটের ওয়েদার বুলেটিন বলছে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামিকাল আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় গরম ৪২ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে।

আগামিকাল রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই অতি তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতেও গরম, অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে। অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হতে পারে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান বীরভূম এবং বাঁকুড়া এই সাত জেলাতে। বেলা বাড়লে জেলাগুলিতে রীতিমতো লু বইবার সম্ভাবনা আছে।

উত্তরবঙ্গের পার্বত্য দুই জেলা ছাড়া বাকি সব জেলাতেই গরম ও অস্বস্তি চরমে। বৃষ্টি দু-এক পশলা হলেও দার্জিলিং ও কালিম্পঙ্গেও তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। উত্তরবঙ্গের ছয় জেলাতে গরম ও অস্বস্তি বাড়বে। এর মধ্যে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবারের পর থেকে আবহাওয়া কিছুটা বদলাতে পারে। মঙ্গলবার ও বুধবারে বৃষ্টির সম্ভাবনা দার্জিলিং কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলাতে। রবিবার দার্জিলিং কালিম্পং জলপাইগুড়িতে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। দক্ষিণবঙ্গে কবে বৃষ্টি হবে তা এখনও জানা যায়নি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।