দামি দামি Cooler আর AC ছাড়ুন এই ফ্যানেই সিমলা কুলু কাশ্মীর হয়ে যাবে ঘর

22nd April 2024 9:22 pm Country News
দামি দামি Cooler আর AC ছাড়ুন এই ফ্যানেই সিমলা কুলু কাশ্মীর হয়ে যাবে ঘর


মে মাস আসার আগেই বিরাট ইনিংস খেলা শুরু সূর্যের। এপ্রিলেই চাঁদি ফাটা গরম। মে-জুন মাস যে কী হতে চলেছে তা সহজেই আঁচ করা যায়। গরমের দাবদাহ এমন জায়গায় পৌঁছয় যে এই দুই মাসে মানুষ শুধু কুলার আর এসির নীচ থেকে মোটে সরতেই চান না। একদিকে এই সময় ভারতীয়দের গরমে ভোগান্তি চরমে পৌঁছয় আবার ইলেক্ট্রিকের বিল আকাশ ছুঁয়ে ফেলে।ফলে মধ্যবিত্তের মাথায় হাত পড়ার জোগাড় হয়। এই পরিস্থিতিতে একটু দেখে শুনে খরচ না করলে কিন্তু বিপদ।  এসি-কুলার কিনে পকেট খালি করা আর মাসে মাসে লম্বা বিল গোনার চেয়ে কিছু মজাদার ও দুর্দান্ত কার্যকরী জনপ্রিয় ফ্যানের কথাও কিন্তু ভাবতে পারেন যা একদিকে বাঁচায় বিদ্যুৎ বিল আবার ঘর নিমেষে করে ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল।  আজ জেনে নেওয়া যাক এমন একটি ফ্যান সম্পর্কে যা আপনি ঘরের যে কোন কোণে রেখে কুলার ও এয়ার কন্ডিশনারের মতোই শীতলতা উপভোগ করতে পারবেন সাড়া ঘরময়। সম্প্রতি Kuhl, ফ্যান সেগমেন্টের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি, বিএলডিএস প্রযুক্তি সহ পরবর্তী প্রজন্মের ডেজার্ট এক্সেল এইচ1 ফ্যান লঞ্চ করেছে। এই ফ্যানে, আপনাকে জল ভর্তি করার জন্য একটি ট্যাঙ্কও দেওয়া হয় যা ৮ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।  আপনিও যদি কুলার এবং এয়ার কন্ডিশনার বিকল্পে কুল-এর (Kuhl) এই লেটেস্ট ফ্যানটি কিনতে চান, তাহলে এখানে আমরা আপনাকে এর বিস্তারিত জানাচ্ছি।

নেক্সট জেনারেশন ডেজার্ট এক্সেল H1 ফ্যানটির বৈশিষ্ট্য কী?

কুলের এই ফ্যানটি আপনাকে কার্যত কুলার এবং এয়ার কন্ডিশনারের মতো শীতলতা দেয়। এ জন্য এই ফ্যানে উচ্চ প্রযুক্তির বিএলডিএস মোটর দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, এই ফ্যানটি চালানোর জন্য রিমোট কন্ট্রোল ফাংশন প্রদান করা হয়।  আরও বড় বিষয় হল, কুল এর এই ফ্যানটি ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। এছাড়া এটি ঘরের যেকোনও কোণে মানিয়ে যায় এবং এর স্টাইলিশ ডিজাইনের কারণে ঘরের ওই অংশের লুক আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।কুল এর এই ফ্যানটিতে অতিস্বনক কুয়াশা আর্দ্রতার বৈশিষ্ঠ্য রয়েছে যা আর্দ্র আবহাওয়ায় চ্যাটচ্যাটে ভাব হতে দেয় না। আদ্রতাহীন অসাধারণ এক শীতলতা প্রদান করে এই ফ্যান যা অন্য গ্যাজেটকে সহজেই প্রতিযোগিতায় পিছনে ফেলে দেয়।

 

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।