গরমেই বিয়েবাড়ির নিমন্ত্রণ? আলিয়ার মতো ‘নো মেকআপ লুকে’ করুন বাজিমাত! সময় লাগবে পাঁচ মিনিট

21st April 2024 7:36 pm Country News
গরমেই বিয়েবাড়ির নিমন্ত্রণ? আলিয়ার মতো ‘নো মেকআপ লুকে’ করুন বাজিমাত! সময় লাগবে পাঁচ মিনিট


গরমকালে সাজগোজ করতে ইচ্ছা করে না, এমন নয়। কিন্তু যতই সাজুন কিছু ক্ষণ পরেই নষ্ট হয়ে যায় রূপটান। গরমে ঘেমে একাকার অবস্থা হয়। চড়া মেকআপ গলতে শুরু করলে দেখতে আরও খারাপ লাগে। কিন্তু তার মানে কি গ্রীষ্মে সাজগোজ বন্ধ করে দিতে হবে? তা তো নয়। শীতে চড়া মেকআপ করলেও গরমে কিন্তু মেকআপ যতই হালকা রাখবেন ততই ভাল। গরমে কিন্তু আলিয়া ভট্ট এবং কিয়ারা আডবাণীর মতো ‘নো মেকআপ লুক’-এ করতে পারেন বাজিমাত। এই ধরনের মেকআপে প্রসাধনী খুব কম ব্যবহার করা হয়। তাই ত্বক তাড়াতাড়ি ঘামে না। প্রচণ্ড গরমে ঘামে মেকআপ ঘেঁটে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে না। কোন কায়দায় মেকআপ করলে মেকআপ বোঝাও যাবে না অথচ ত্বক জেল্লাদারও দেখাবে, রইল হদিস।

১) প্রথমে ত্বকে খুব ভাল করে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। তার পর সারা মুখে সেটিং স্প্রে ব্যবহার করুন। প্রাইমার লাগিয়ে নিন। মেক আপ বেশি ক্ষণ স্থায়ী করতে এই পদ্ধতিটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

 

২) এর পর চোখের তলায় এবং দাগছোপ আছে এমন জায়গায় খুব অল্প মাত্রায় কনসিলার ব্যবহার করে স্পঞ্জ দিয়ে খুব ভাল করে মিশিয়ে নিন। ত্বকের রঙের সঙ্গে মানানসই রঙের ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন। তবে মনে রাখবেন, খুব বেশি পরিমাণে ফাউন্ডেশন মোটেই ব্যবহার করবেন না। এমন ভাবে ব্লেন্ড করুন যাতে ফাউন্ডেশন পুরোটাই বসে যায় ত্বকে। এমন ফাউন্ডেশন বাছতে হবে, যাতে তা নিখুঁত ফিনিশ দেয় ত্বকে।

৩) এ বার ব্রোঞ্জার দিয়ে কনটোরিং করে নিন। একটি ব্রাশের সাহায্যে চিবুক, কপাল ও গালে হাইলাইটার লাগাতে পারেন, তবে খুব বেশি নয়। ত্বকে রোমকূপ রন্ধ্রের সমস্যা থাকলে হাইলাইটার ব্যবহার না করাই ভাল। হালকা পিচ কিংবা গোলাপি রঙের ব্লাশ ব্যবহার করুন।

 

৪) চোখের উপরের ও নীচের পাতায় বেজ কিংবা হালকা ব্রাউন শেডের আইশ্যাডো লাগান। লাইনার লাগানোর প্রয়োজন নেই। হালকা করে কাজল পরতে পারেন। কাজলের নীচেও হালকা করে আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। মাস্কারা ব্যবহার করতে ভুলবেন না। চোখের ভ্রুকে ভরাট দেখাতে হালকা করে কালো রঙের আইব্রো পেন্সিল বুলিয়ে নিন।

৫) এ বার কেবল ন্যুড শেডের লিপস্টিক ও গ্লস লাগিয়ে নিলেই আপনার নো মেক আপ লুক তৈরি! তবে এ ক্ষেত্রে ম্যাট নয় হালকা গ্লসি লিপ শেড ব্যবহার করুন। মেক আপ শেষে ফের সেটিং স্প্রে লাগিয়ে নিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।