পানে আঁকা পদ্মফুল পরনে লাল বেনারসি ছেলেকে কোলে নিয়েই রাতুলের সঙ্গে বিয়ে রুপাঞ্জনার

19th April 2024 10:03 pm Country News
পানে আঁকা পদ্মফুল পরনে লাল বেনারসি ছেলেকে কোলে নিয়েই রাতুলের সঙ্গে বিয়ে রুপাঞ্জনার


 পরনে লাল বেনারসি। গলায় গোলাপ ফুলের মালা। অন্যদিকে ধুতি-চাদরে বর বেশে রাতুল। শুভদৃষ্টিতে রূপাঞ্জনা একেবারে লাজুক কনে। গোধূলি লগ্নে পান সরিয়ে রাতুলকে দেখতেই রূপাঞ্জনার জীবনে নতুন রূপকথার শুরু। যে পান সরিয়ে রাতুলকে তিনি দেখলেন, অভিনবত্ব রয়েছে সেই পানেও।পান পাতায় আঁকা আঁকা, সঙ্গে লেখা শুভবিবাহ। ঠিক এইভাবেই কলকাতার পাঁচতারা হোটেলে বিয়ে সারলেন রূপাঞ্জনা ও রাতুল।গত বছর ২৩ ফেব্রুয়ারি দার্জিলিংয়ে বাগদান সেরে ১৯ এপ্রিল এবার কলকাতার এক হোটেলে বিয়ে সারলেন রূপাঞ্জনা। রূপাঞ্জনা ও রাতুলের খুব ঘনিষ্ঠ মানুষজনেরা উপস্থিত ছিলেন এই বিয়েতে। জানা গিয়েছে, হিন্দু বিয়ের সমস্ত রীতি মেনেই বিয়ে হয়েছেসিঙ্গল মাদার রূপাঞ্জনা। ২০১৭ সাল থেকে ছেলে রিয়ানকে একাই বড় করেছেন তিনি। সিরিয়াল, সিনেমার কাজের পাশাপাশি পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব সামলান অভিনেত্রী। রাতুলও টলিপাড়ার চেনা মুখ। শুটিং ফ্লোরেই নাকি দুজনের আলাপ। তার পর বন্ধুত্ব ও প্রেম। নিজের সম্পর্ক নিয়ে কখনও লুকোছাপা করেননি রূপাঞ্জনা। বরং হামেশাই জানিয়েছেন, তাঁদের সম্পর্ক পরিণত। এতে রিয়ানেরও কোনও সমস্যা নেই। তাইতো দার্জিলিংয়ে রাতুল-রূপাঞ্জনার বাগদানের সাক্ষী ছিল রিয়ান।ছেলেকে পাশে রেখেই বিয়ে সারলেন রূপাঞ্জনা। সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী জানিয়ে ছিলেন, ছেলে রিয়ানের কথা মাথায় রেখেই নতুন শুরুর চিন্তাভাবনা। রাতুলের সঙ্গে রিয়ানের বন্ধুর মতো সম্পর্ক। দুজন দুজনকে ‘চ্যাম্প’ বলে ডাকে। আবার রূপাঞ্জনাকে রাতুল-রিয়ান ডাকে ‘ভুটিয়া’ বলে। তিনজন একসঙ্গে থাকলে যেন আর কাউকে লাগে না। রিয়ানের সঙ্গে কথা বলেই রূপাঞ্জনা-রাতুলের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া বলে খবর।

 

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।