কর্তা ঝাল খান না অথচ রান্নায় লঙ্কার গুঁড়ো বেশি পড়ে গিয়েছে? সামাল দেবেন কী ভাবে?

19th April 2024 8:48 pm Country News
কর্তা ঝাল খান না অথচ রান্নায় লঙ্কার গুঁড়ো বেশি পড়ে গিয়েছে? সামাল দেবেন কী ভাবে?


রান্না করতে গিয়ে ভুলত্রুটি হয়েই থাকে। রান্না করার দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও অনেকেই ভুল করে ফেলেন। ভুলবশত রান্নায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল পড়ে যায়। আবার কখনও নুন বেশি হয়। নুন, হলুদ কিংবা তেল বেশি পড়ে গেলেও কোনও ভাবে সামাল দেওয়া যায়। কিন্তু বেশি মশলা হয়ে গেলে স্বাদ বিগড়ে যায়। তা ছাড়া এই গরমে মশলাদার খাবার খেতেও ভাল লাগে না। কিন্তু অসাবধানতাবশত যদি গরম মশলা কিংবা লঙ্কার গুঁড়োর পরিমাণ রান্নায় বেশি হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে খাবারের স্বাদ ফেরাবেন কী ভাবে?

টক দই

 

ঝাল বেশি হয়ে গেলে চোখ বন্ধ করে রান্নায় কয়েক চামচ টক দই দিয়ে দিন। খাবার আরও সুস্বাদু হয়ে উঠবে। তা ছা়ড়া রান্নায় বেশি ঝাল হয়ে গিয়েছে বলে নয়, এমনিতেই টক দই দিলে যে কোনও পদ সুস্বাদু হয়ে ওঠে। ঝোলও ঘন হয়। আমিষ এবং নিরামিষ— দু’ধরনের পদেই যথেষ্ট মানানসই হল দই।

কাজু বাদাম

 

রান্নায় মশলার পরিমাণ কমাতে কাজুবাদাম বেটে দিতে পারেন। তাতে ঝাল তো কমে যাবেই, সেই সঙ্গে রান্নায় একটা আলাদা স্বাদ আসবে। মাছ কিংবা মাংস, ঝোলও ঘন হবে। খেতেও ভাল লাগবে।

 

চিনি

 

চায়ে চিনি না খাওয়া খুব ভাল অভ্যাস। তবে রান্নায় লঙ্কার গুঁড়ো বেশি পড়ে গেলে একটু চিনি দিতে পারেন। তাতে শরীরের উপরে কোনও প্রভাব পড়বে না। অন্তত ঝাল খাবার খেয়ে চোখের জলে-নাকের জলে হতে হবে না।

টম্যাটো

 

রান্নায় একটু বেশি ঝাল হয়ে গেলে ছোট ছোট করে টম্যাটো কেটে দিয়ে দিন। টম্যাটো দিলে রান্নায় একটা টক-মিষ্টি স্বাদ আসবে। রান্নার ঝাল ভাবও কেটে যাবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।