বর্ষবরণের ভোজে থাকুক ফিউশন খানা! বানিয়ে ফেলুন চিংড়ির কবাব, এঁচোড়ের কাটলেট

9th April 2024 1:53 pm Country News
বর্ষবরণের ভোজে থাকুক ফিউশন খানা! বানিয়ে ফেলুন চিংড়ির কবাব, এঁচোড়ের কাটলেট


দিনটা আবার ঘুরে আসবে সেই একটা বছর পরে। বাঙালির বর্ষবরণের দিনটায় ইদানীং বিভিন্ন রেস্তোরাঁগুলি হরেক রকম খাবারের আয়োজন করে। থাকে বিশেষ মেনু, বিশেষ অফার। অনেকেই সে সব লোভনীয় খাবারের টানে ভিড় জমান সেখানে। তবু বিশেষ দিনে বাড়িতে জমিয়ে একটু রান্না না করলেই নয়। বাড়ি ভর্তি প্রচুর অতিথির মাঝখানে সময় করে নিজের হাতের জাদু দেখানোর সুযোগটা আপনি ছাড়বেন না নিশ্চয়ই। নববর্ষ উপলক্ষে বাড়িতে ভাজাভুজি কিছু বানানোর পরিকল্পনা করছেন? শেফ মনোজ কুমার সাউ ভাগ করে নিলেন দু’টি সুস্বাদু ফিউশন স্ন্যাক্‌স রেসিপি।

এঁচোড়ের কাটলেট

 

উপকরণ:

এঁচোড়: ৫০০ গ্রাম়

 

আলু: ২৫০ গ্রাম

 

আদা বাটা: ১ টেবিল চামচ

 

বিস্কুটের গুঁড়ো: ২৫০ গ্রাম

 

জিরে গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ

 

লঙ্কার গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ

 

গরম মশলা গুঁড়ো: আধ চা চামচ

 

হলুদ: ১ টেবিল চামচ

 

ময়দা: ২ টেবিল চামচ

 

লেবুর রস: ২ টেবিল চামচ

 

নুন ও চিনি: স্বাদমতো

 

ভাজা মশলা (গোটা জিরে আর শুকনো লঙ্কা ভেজে গুঁড়ো করা): ১ টেবিল চামচ

 

সাদা তেল: প্রয়োজন মতো

 

প্রণালী:

 

প্রথমে নুন, হলুদ দিয়ে এঁচোড় আর আলু সেদ্ধ করে নিন। তার পর ভাল করে জল ঝরিয়ে ভাল করে মেখে নিন। এ বার কড়াইয়ে তেল সামান্য গরম করে তাতে গরম মশলা গুঁড়ো দিয়ে আদা বাটা মিশিয়ে দিন। আদার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে তাতে হলুদ, জিরে আর লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। ‌মশলা থেকে তেল ছেড়ে এলে এঁচোড় আর আলুর মিশ্রণ দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি শক্ত হয়ে এলে একে একে লেবুর রস, গরম মশলা গুঁড়ো, ভাজা মশলার গুঁড়ো, স্বাদ মতো চিনি দিয়ে আরও কিছু ক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। এ বার কড়াই থেকে নামিয়ে মিশ্রণটি ঠান্ডা হতে দিন। তার পর মিশ্রণটি থেকে ছোট ছোট মণ্ড বানিয়ে কাটলেটের আকার দিন। এ বার ময়দা আর জল দিয়ে বানানো ঘন মিশ্রণে ডুবিয়ে কাটলেটের গায়ে বিস্কুটের গুঁড়ো মাখিয়ে নিন। ডোবা তেলে ভেজে কাসুন্দির সঙ্গে পরিবেশন করুন এঁচোড়ের কাটলেট।

 

চিংড়ি মাছের শিক কবাব:

 

উপকরণ:

 

কুচো চিংড়ি: ৫০০ গ্রাম

 

পাউরুটি: ৩টি

 

ভাজা পেঁয়াজ: ১ কাপ

 

ধনেপাতা কুচি: আধ কাপ

 

কাঁচা লঙ্কা কুচি: ৩ টেবিল চামচ

 

আদা-রসুন বাটা: ২ টেবিল চামচ

 

নুন: স্বাদ মতো

 

হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ

 

জিরে গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ

 

লেবুর রস: ২ টেবিল চামচ

 

মাখন ও তেল: পরিমাণ মতো

 

প্রণালী:

 

চিংড়ি মাছগুলি ভাল করে পরিষ্কার করে নিন, মাথা ফেলার প্রয়োজন নেই। এ বার কড়াইয়ে সামান্য তেল দিয়ে মাছগুলি ভেজে নিন। এ বার একটি মিক্সিতে মা‌ছগুলি নিয়ে সামান্য জল দিয়ে বেটে নিন। একটি বড় বাটিতে চিংড়ি মাছ বাটা, ভিজিয়ে জল ঝরানো পাউরুটি, ভাজা পেঁয়াজ, ধনেপাতা, আদা-রসুন বাটা, নুন, হলুদ, জিরে গুঁড়ো, লেবুর রস আর সামান্য তেল দিয়ে মেখে নিন। গোটা মিশ্রণটি ফ্রিজে এক ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এর পর শিকের মধ্যে মাছের মিশ্রণটিকে ভাল করে মুড়ে দিন। ভাল করে দু’দিক মুড়িয়ে গ্রিল করে নিন কবাবগুলি। মাঝে মাখন মাখিয়ে নিতে হবে। যত ক্ষণ না শিকে গাঁথা পুরো মিশ্রণটি সেদ্ধ হয়ে রান্না হয়ে যাচ্ছে, তত ক্ষণ গ্রিল করুন। এর পর লেবুর রস ছড়িয়ে, পুদিনার চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন চিংড়ির শিক কবাব।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।