সকালে ঘুম থেকে উঠে না কি রাতে শুতে যাওয়ার আগে, কখন ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া ভাল?

6th April 2024 1:17 pm Country News
সকালে ঘুম থেকে উঠে না কি রাতে শুতে যাওয়ার আগে, কখন ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া ভাল?


ত্বক ভাল রাখতে রোজ সালোঁয় যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। সাধারণ কিছু পরিচর্যা বাড়িতেই করা যায়। বাইরে না বেরোলেও নিয়ম করে দু’-তিন বার ক্লিনজ়িং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজিং বা ‘সিটিএম’ করেন অনেকেই। বাইরে বেরোলে ত্বকে ধুলো-ময়লা জমে। তার উপর মুখের নিজস্ব তেল বা সেবাম তো আছেই। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের এই সমস্যা বেশি। ত্বক যেমনই হোক, তা পরিষ্কার রাখতে পারলে চট করে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তা ভেবে প্রস্রাব ত্যাগ করার মতো অনেকেই বার বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুতে ছোটেন। তাতে আবার উপকারের বদলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি। কারণ, ফেসওয়াশের মধ্যে যে রাসায়নিক উপাদানগুলি রয়েছে, তা ত্বকের পিএইচের ভারসাম্য নষ্ট করে দিতে পারে।

অনেকে আবার মনে করেন, বাইরে না বেরোলে মুখে ফেসওয়াশ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, বাড়ির মধ্যে তো রাস্তাঘাটের মতো ধুলো-ময়লা থাকে না। তবে অভিজ্ঞরা বলছেন অন্য কথা। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে পারলে ক্ষতি কিছু নেই। ঘুমোনোর সময়ে ত্বকের গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত তেল-সেবাম জমে থাকে মুখে। সকালে উঠে শুধু জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে কিন্তু সেই তেল সহজে পরিষ্কার হয় না। তা ছাড়া, বাইরে বেরোনোর আগে অনেকেই মুখে মেকআপ করেন। মেকআপ ভাল হওয়ার জন্যও মুখ পরিষ্কার হওয়া জরুরি। অন্য দিকে, ত্বক ভাল রাখতে কাজ থেকে বাড়ি ফিরে কিংবা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখ থেকে মেকআপ, ধুলো-বালির পরত পরিষ্কার করাও জরুরি।

তবে, কে কত বার মুখে ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন, তা নির্ভর করবে ওই ব্যক্তির ত্বকের ধরনের উপর। যেমন— কারও ত্বক তৈলাক্ত হলে দিনে তিন থেকে চার বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়াই যায়। যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁরা দু’বারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারেন। স্পর্শকাতর ত্বকের অধিকারী যাঁরা, তাঁরাও ঘন ঘন ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।