রাত ৮টা হোক কিংবা ১২টা, রোজ এক সময়ে খাবার খেলে কী কী উপকার পাবেন?

6th April 2024 12:07 pm Country News
রাত ৮টা হোক কিংবা ১২টা, রোজ এক সময়ে খাবার খেলে কী কী উপকার পাবেন?


সুস্থ জীবনযাপন করতে শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খেলেই হবে না। সময়ে খাবার খেতেও হবে। ঘড়ি ধরে খাবার খাওয়ার উপকারিতা কম নয়। সময়মতো যদি বাইরের খাবারও খান, বিশেষ সমস্যা হবে না। একটি নির্দিষ্ট সময়ে রাতের খাবার খেয়ে নেওয়ার উপকারিতা কমবেশি সকলেই জানেন। তবে জেনেও সব সময়ে নিয়ম মেনে চলা সম্ভব হয় না। ব্যস্ততম জীবনে সবচেয়ে বেশি অনিয়ম হয় খাওয়াদাওয়ায়। অফিসে কাজের ফাঁকে সময়ে খাওয়ার সুযোগ নেই। কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরতেও অনেকটা দেরি হয়ে যায়। ফলে খেতে খেতে সেই মধ্যরাত। আবার কখনও তাড়াতাড়ি বাড়ি এলে ঠিকঠাক সময়ে খাওয়া হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, রাতের খাবার খাওয়ার সময়ে একটা ধারাবাহিকতা থাকা জরুরি। ৯টার মধ্যে খেয়ে নেওয়া যদি সম্ভব না হয়, তা হলে রোজ একটি নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। রোজ একই সময়ে রাতের খাবার খেলে কী কী সুফল মিলবে?

 

হজমের উন্নতি

 

হজমের গোলমাল বাঙালির নিত্যদিনের সঙ্গী। ওষুধ খেয়ে গোলমাল খানিকটা সামলানো যায় বটেই। তবে সেটা সাময়িক। হজমের উন্নতি করতে রোজ একই সময়ে খাবার খাওয়া অভ্যাস করুন। রোজ আলাদা আলাদা সময়ে খাবার খেলে হজমের গোলমাল পিছু ছাড়বে না।

 

অম্বলের ঝুঁকি কমবে

 

রোজ একই সময়ে খাবার খাওয়ার অন্য একটি সুফল হল অম্বলের ঝুঁকি কমে। চোয়া ঢেঁকুর, বুক জ্বালার মতো সমস্যা তো নিত্যদিনের। শুধু খাওয়াদাওয়ার অনিয়মে নয়, ভুল সময়ে খাবার খাওয়ার ফলেই এমন হয়। রোজ একটা নির্দিষ্ট সময়ে খেলে এই ধরনের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে।

 

পেটের অস্বস্তি কমবে

 

কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটায় পেটেব্যথা, পেটে যন্ত্রণার মতো সমস্যা। শারীরিক অস্বস্তির হাত থেকে মুক্তি পেতে সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। রোজ রাতে যদি একটি নির্দিষ্ট সময়ে খেতে পারেন তা হলে গ্যাস-অম্বল, পেটব্যথার সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি মিলবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।