মুখরোচক চাটের সঙ্গে গুলাব জামুনের যুগলবন্দি! চেখে দেখবেন নাকি এক বার?

26th March 2024 9:33 pm Country News
মুখরোচক চাটের সঙ্গে গুলাব জামুনের যুগলবন্দি! চেখে দেখবেন নাকি এক বার?


কিছু দিন আগেই গুলাব জামুন পিৎজ়া নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়ে ছিল সমাজমাধ্যমে। পিৎজ়ার সঙ্গে গুলাব জামুনের এই যুগলবন্দি অনেকেই পছন্দ করেছিলেন। খাবার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এ দেশে চলতেই থাকে। ভূরি ভূরি উদাহরণ আছে এর। দোলের আগে সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও এক খাবার গুলাব জামুন চাট।

স্বাস্থ্যকর, মুখরোচক খাবারগুলির মধ্যে অন্যতম হল চাট। পাপড়ি, ধনেপাতা, নানা ধরনের সস্‌, ঝুরি ভাজা দিয়ে মনের মতো চাট তৈরি হয়। অনেকেই আবার নিজেদের মতো করে বানিয়ে নেন। চাট প্রেমীর সংখ্যাও কম নয়। তবে গুলাব জামুনের সঙ্গে চাটের এই যুগলবন্দি নতুন করে মন জিতেছে অনেকেরই। অনেকেই আবার এই খাবার চেখে দেখার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন। গুলাব জামুন চাট তৈরির একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে এক প্লেট গুলাব জামুনের উপর প্রথমে দেওয়া হল টোম্যাটো সস্‌, ধনেপাতার চাটনি, ঝুরি ভাজা আর পাপড়ি। সবগুলি ভাল করে হালকা মিশিয়ে নিলেই তৈরি চাট।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।