সকালের জলখাবারে ওট্‌স রাখবেন না ডালিয়া? পুষ্টিগুণের দিক থেকে কোনটি উৎকৃষ্ট?

18th March 2024 3:34 pm Country News
সকালের জলখাবারে ওট্‌স রাখবেন না ডালিয়া? পুষ্টিগুণের দিক থেকে কোনটি উৎকৃষ্ট?


সকালের জলখাবারে কী খাবেন? সপ্তাহান্তে একটা ছুটির দিন না হয় গরম, ফুলকো লুচি আর ছোলার ডাল খেলেন। কিন্তু রোজ লুচি খেলে তো পেটের বারোটা বাজবে। তার পর আবার ডায়াবিটিসের ঝামেলাও রয়েছে। ডায়াবিটিস থাকলে এই এক সমস্যা। কোনটা খেলে রক্তে শর্করা বেড়ে যাবে, আর কোনটা খেলে বশে থাকবে, তা তো বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব নয়। তা ছাড়া, অফিসে বেরোনোর আগে যথেষ্ট তাড়া থাকে। তাই খাবারদাবার নিয়ে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা যায় না। বেশির ভাগ দিনই হয় ওট্‌স, না হয় ডালিয়া খেয়েই দিন কাটাতে হয়। দুটো খাবারেরই ফাইবারের পরিমাণ বেশি। বেশ কিছু প্রয়োজনীয় খনিজ রয়েছে ওট্‌স এবং ডালিয়ায়। তা সত্ত্বেও পুষ্টিবিদেরা বলছেন, ডালিয়ার চেয়ে ওট্‌স ভাল। কেন?

পুষ্টিগুণের বিচারে কোনটি কেমন?

 

১) ডালিয়ার চেয়ে ওট্‌সে ফাইবারের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। ওট্‌সের মধ্যে রয়েছে বিটা-গ্লুকান। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এই উপাদানের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।

২) ওট্‌সের মধ্যে এমন কিছু অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে, যেগুলি আসলে প্রদাহনাশক হিসাবে কাজ করে। হার্টের পেশি যাতে ঠিক ভাবে কাজ করতে পারে, সে দিকেও খেয়াল রাখে।

 

৩) যাঁদের ডায়াবিটিস রয়েছে, তাঁদের খাবার নিয়ে নানা রকম বিধিনিষেধ থাকে। যে সব খাবারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, সে ধরনের খাবার খেতে বলেন পুষ্টিবিদেরা। ওট্‌সে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এবং ক্যালোরির পরিমাণ ডালিয়ার তুলনায় কম।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।