শুরু হয়েছে রমজান, শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ করতে সেহরি এবং ইফতারে কোন খাবারগুলি খাবেন?

18th March 2024 3:30 pm Country News
শুরু হয়েছে রমজান, শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ করতে সেহরি এবং ইফতারে কোন খাবারগুলি খাবেন?


চলছে রমজান মাস। দিনভর রোজা রাখার পর সূর্যাস্তের পর খাবার মুখে তুলতে হয়। সেটা হল ইফতার। আর সূর্য ওঠার আগে সারা দিনের রসদ হিসাবে খেয়ে নিতে হয় অল্প কিছু। সেটা সেহরি। কিন্তু মাঝের সময়ে অন্য খাবার দাঁতে কাটা তো দূর, জলস্পর্শ পর্যন্ত করা যায় না। এর ফলে শরীরে জলের ঘাটতি তৈরি হয়। সেখান থেকেই মাথাব্যথা, পেটের গোলমাল, দুর্বলতা মতো নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। কোষ্ঠকাঠিন্যে হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। তাই সেহরি এবং ইফতারে এমন কিছু খাবার খেতে হবে যেগুলি খেলে শরীরে জলের ঘাটতি কিছুটা হলেও পূরণ হবে।

ফল

 

এমন ফল বেছে নিন যেগুলিতে জলের পরিমাণ অনেক বেশি। তরমুজ, আনারস, শসা, পেয়ারা, জামরুলের জলের পরিমাণ অনেক বেশি। এ ছা়ড়া সব্জি সেদ্ধও খেতে পারেন। কারণ, সব্জিতেও রয়েছে নানা স্বাস্থ্যকর উপাদান এবং জল।

স্মুদি

 

খুব ভাল হয় যদি সকালে খালি পেটে সেহরিতেই এক গ্লাস স্মুদি খেয়ে নেন। সব্জি, দই, ফল দিয়ে স্মুদি বানিয়ে নিতে পারেন। পেটও ভর্তি থাকবে দীর্ঘ ক্ষণ। আবার ঘন ঘন জল তেষ্টাও পাবে না। ডাবের জলও কিন্তু খেতে পারেন। আবার ডাবের জল, পালং শাক, কাঠবাদাম দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন সুস্বাদু স্মুদি।

জল

 

সারা দিন জল খাওয়া যাবে না। তাই সেহরিতেই বেশি করে জল খেয়ে নিন। তবে খাওয়ার পরে বেশি জল না খাওয়াই ভাল। বরং খেতে বসার আগেই দু’গ্লাস মতো জল খেয়ে নিন। তার পর খানিক বিশ্রাম করে খান। জল খাওয়ার পরেই খেয়ে নিলে হাঁসফাঁস করতে পারে। সারা দিনে অস্বস্তিও হতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।