মূহূর্তের মধ্যে ঘাড়ের যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পেতে ঘরোয়া পদ্ধতি

13th March 2024 4:10 pm Country News
মূহূর্তের মধ্যে ঘাড়ের যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পেতে ঘরোয়া পদ্ধতি


অনেকের মধ্যেই রয়েছে ঘাড়ে ব্যথার সমস্যা। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে আমাদের দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ব্যবহার, মোবাইল ব্যবহারের কারণে হতে পারে ঘাড়ে ব্যথা। এক্ষেত্রে ঠান্ডা গরম সেক, হলুদ-দুধের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। আমাদের এখন জীবনযাত্রার কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। প্রতিটি মানুষের অভ্যাস খারাপ হয়ে গিয়েছে।তাই আমাদের সকলকেই এই নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।আসলে সারাদিন কম্পিউটারের সামনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। একটুও সময় নেই চোখ ফেলার। এবার এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে প্রতিটি মানুষকে হয়ে যেতে হবে সতর্ক। কারণ এভাবে কম্পিউটারের দিকে তাকাতে থাকলে একটা সময়ের পর কিন্তু ঘাড়ে সমস্যা দেখা যায়। এক্ষেত্রে ঘাড়ে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়। ঘাড় টনটন করে। কোনও কাজ ঠিকমতো করা হয়ে ওঠে না। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে কিন্তু প্রতিটি মানুষকে সতর্ক হয়ে যেতে হবে।এক্ষেত্রে আমাদের প্রতিটি মানুষকে সমস্যার কথা মাথায় রাখা উচিত। মনে রাখতে হবে যে ঠিক কী ভাবে সমস্যার করা যেতে পারে সমাধান। তবে শুধু পেইনকিলার খেয়ে এই সমস্যার সমাধান হবে না। বরং এই ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করুন সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য-

সেক দিন

এক্ষেত্রে ঠান্ডা বা গরম সেক দিতে পারেন। আবার দুটো মিলিয়ে মিশিয়েও সেক দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সেক দিলে ওই জায়গার রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। ফলে যন্ত্রণা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা অনেকগুণ কমে। এবার আপনার ব্যথার পরপর সেক দিলেই আরাম পাবেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে সেই নির্দিষ্ট সময়ে সেক দেওয়ার মতো কিছু না পেতে পারেন। তখন আপনাকে রাতেরবেলায় ঘাড়ে সেক দিতে হবে।

হলুদ-দুধ

বলা হয়, হলুদের মধ্যে রয়েছে এমন কিছু পদার্থ আছে যা প্রদাহ কমাতে পারে। এবার আপনার ঘাড়ের ব্যথার প্রদাহ দূর করতে পারে হলুদ। এই অবস্থায় দুধের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে নিন। এক্ষেত্রে দুধের মধ্যে রয়েছে আবার ক্যালশিয়াম। তাই এই পানীয় অবশ্যই খেতে হবে। তবেই সমস্যার সমাধান করা হবে সম্ভব।

কিছুক্ষণ পরপর ঘাড়ের ব্যায়াম

আপনাকে কিছুক্ষণ বাদে বাদে ঘাড়ের ব্যায়াম করতে হবে। এক্ষেত্রে ঘড়ির দিকে এবং ঘড়ির বিপরীতে মাথা ঘোরাতে হবে। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। তবেই সমস্যার সমাধান সম্ভব।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।