দিঘা, পুরীর ভিড় পছন্দ নয়, নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে ঘুরে আসুন পুদুচেরির ৫ সৈকত থেকে

6th March 2024 5:37 pm Country News
দিঘা, পুরীর ভিড় পছন্দ নয়, নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে ঘুরে আসুন পুদুচেরির ৫ সৈকত থেকে


সমুদ্র পছন্দ করেন। তাই সময়-সুযোগ পেলেই দিঘা বা পুরী চলে যান। তবে এই সব জায়গায় সারা বছরই পর্যটকদের ভিড়। কয়েকটা দিন নিরিবিলিতে কাটানোর জন্য ‘মেরিন ড্রাইভ’-এর চেনা হোটেল ছেড়ে ক্রমশ মোহনার দিকে এগিয়ে চলেছেন। কিন্তু সেখানেও শান্তি নেই। ফাঁকা রাস্তা পেয়ে সেখানেও হু হু গতিতে গাড়ি নিয়ে ছুটে আসেন পর্যটকেরা। সকাল-বিকেল হাঁটতেও ভয় লাগে। তা হলে সফেন সমুদ্র আর নিরিবিলি সৈকতের খোঁজে কোথায় যাবেন? দু-দণ্ড শান্তি পেতে ‘নাটোর’ ছুটতে হবে না, দেশের মধ্যে পুদুচেরি পর্যন্ত গেলেই হবে।

পুদুচেরির কোন পাঁচটি সৈকত থাকতে পারে পছন্দের তালিকায়?

 

১) অরোভিল বিচ:

পুদুচেরিতে অবস্থিত অরবিন্দ আশ্রমের কাছে রয়েছে এই অরোভিল সৈকত। স্বচ্ছ জল, শান্ত পরিবেশে কয়েকটা দিন কাটিয়ে আসতেই পারেন। একেবারে একা ঘুরতে চাইলেও অসুবিধে নেই।

 

২) প্রমেনাড বিচ:

 

প্রায় দেড় কিলোমিটার লম্বা পুদুচেরির এই সৈকত স্থানীয়দের কাছে বেশ জনপ্রিয়। মর্নিং ওয়াক, জগিং করার জন্য আদর্শ এই প্রমেনাড বিচ। হাঁটাহাটি করার পর যদি একটু চা খেতে ইচ্ছে করে, সে ব্যবস্থাও রয়েছে।

 

৩) প্যারাডাইস বিচ:

 

সাদা বালি, নীল জলরাশিতে ঘেরা এই সৈকত সত্যিই অন্য রক্ম। পুদুচেরিতে বেশ কিছু সৈকত রয়েছে। তার মধ্যে এটি অন্যতম পরিচ্ছন্ন সৈকত। চাইলে এখানে নানা রকম জলক্রীড়ায় অংশ নিতে পারেন। নৌকাবিহারের ব্যবস্থাও রয়েছে।

 

৪) করাইকল বিচ:

 

আরাসলার নদীর কাছে অবস্থিত করাইকল সৈকত তরুণদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। কারণ, অবশ্যই রকমারি ‘ওয়াটার স্পোর্ট্‌স’। আবার সাঁতার কাটার জন্যেও নিরাপদ করাইকল সৈকত।

 

৫) মাহে বিচ:

 

কুন্নুর শহরের কাছেই রয়েছে মাহে সৈকত। সাদা বালি ঘেরা সমুদ্রতট জুড়ে পামগাছের সারি। এই বিচ থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখার মতো। তাই এখানে ছবিশিকারীদের আনাগোনা দেখা যায় প্রায়ই। তবে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এই সমুদ্র সৈকতের উপর বা আশপাশে খাবারের কোনও দোকান তৈরি করতে দেওয়া হয়নি। বাইরে থেকে খাবার কিনে এনে এখানে বসে খাওয়া যায়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।