যত প্রতারণা অনলাইন ডেটে এই ভ্যালেন্টাইন্স ডেতে প্রেমের ফাঁদে পড়বেননা

13th February 2024 8:12 pm Country News
 যত প্রতারণা অনলাইন ডেটে এই ভ্যালেন্টাইন্স ডেতে প্রেমের ফাঁদে পড়বেননা


এখনকার দিনে মনের মানুষ বা সঙ্গী খুঁজে পেতে তরুণ প্রজন্মের একাংশের ভরসা অনলাইন ডেটিং প্ল্যাটফর্মগুলি। ফলত Tinder, Happn, Bumble ইত্যাদি অ্যাপ এখন স্মার্টফোনের স্ক্রিনে জায়গা করে নিয়েছে। আর যেহেতু ভ্যালেন্টাইন্স ডে একেবারে সামনে এসে পড়েছে, সেই কারণে এগুলির ব্যবহারও তুঙ্গে পৌঁছেছে।এমতাবস্থায় আপনিও যদি ভালোবাসার দিনটি বিশেষ করে তোলার জন্য কোনো ডেটিং অ্যাপ ব্যবহার করতে উদ্যোগী হন, তাহলে কিন্তু আপনার খানিক সচেতন হওয়া প্রয়োজন। এমনিতে এই ধরণের অ্যাপগুলিতে যাদের সাথে পরিচয় বা দেখা-সাক্ষাত হয়, তাদের প্রত্যেকেই যে সঠিক লোক তা নয়! অন্যদিকে এখন ডেটিং অ্যাপ স্ক্যাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে - মানুষজন এখন এইসব প্ল্যাটফর্মে ইমেজ ম্যানিপুলেট করতে এবং অন্যদের প্রতারিত করতে AI ব্যবহার করছে। সাইবার সিকিউরিটি প্ল্যাটফর্ম McAfee-র সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ৯০ শতাংশেরও বেশি ভারতীয় ডেটিং অ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে ভুয়ো প্রোফাইলের মুখোমুখি হয়েছেন।

অনলাইন ডেটিংকে প্রভাবিত করছে AI, কী বলছে McAfee?

ডিজিটাল প্রোটেকশনের বিষয়ে সহায়তাকারী প্ল্যাটফর্ম ম্যাকাফি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই টুলগুলি কীভাবে স্ক্যামের হাতিয়ার হয়ে উঠছে, তা দেখেছে। তারা ভারতসহ সাতটি ভিন্ন দেশে ৭ হাজার জন মানুষের ওপর সার্ভে চালিয়ে এই তথ্য পেয়েছে যে অনেকেই এখন ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়াতে নকল প্রোফাইল বা ছবি দেখেছেন/দেখছেন। এক্ষেত্রে প্রায় ৯৮ শতাংশ ভারতীয় বিষয়টি নিশ্চিত করে ভুয়ো প্রোফাইলগুলি দেখার কথা জানিয়েছেন, যেখানে ৩৯ শতাংশ বলেছেন যে তারা প্রেমের ফাঁদ পেতে থাকা স্ক্যামারদের সাথে কথাও বলেছে। এই সমস্যাটি বেশি জটিল হয়েছে, কারণ কিছু স্ক্যামার বিশ্বাসযোগ্য মেসেজ এবং ছবির জন্য এআই টুল ব্যবহার করছে - আবার সমীক্ষায় প্রায় ৬৫ শতাংশ ভারতীয়ই নিজের ডেটিং প্রোফাইলের জন্য ছবি বা অন্যান্য কন্টেন্ট তৈরি করতে এআই ব্যবহার করেছেন বলে স্বীকার করেছেন। সব মিলিয়ে ডেটিং অ্যাপে কেউ আসল কিনা তা বোঝা সম্ভব হচ্ছেনা, একইসাথে নানা বিরক্তির কারণও (যেমন মেশিনের মাধ্যমে ভালোবাসার মেসেজ লেখা) উদ্ভূত হচ্ছে।

 

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।