প্রাকৃতিক উপায়ে চোখের পাপড়ি ঘন করার দুর্দান্ত টিপস দেখেনিন একনজরে

2nd February 2024 9:18 pm Country News
প্রাকৃতিক উপায়ে চোখের পাপড়ি ঘন করার দুর্দান্ত টিপস  দেখেনিন একনজরে


ঘন চোখের পাপড়ি এই সময়ে বহুল জনপ্রিয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটা করা হয় ফলস আইল্যাশ দিয়ে। কারণ অনেকেই জানেন না প্রাকৃতিকভাবেও চোখের পাপড়ি ঘন করা যায়। আজকে জানাব প্রাকৃতিকভাবে চোখের পাপড়ি ঘন করার উপায়-ক্যাস্টর অয়েল চুলের যত্নে এবং চুলের বৃদ্ধিতে ক্যাস্টর অয়েল দারুণ প্রচলিত একটি প্রাকৃতিক তেল।মজার ব্যাপার হল, চুলের সঙ্গে চোখের পাপড়ির যত্নে ও বৃদ্ধিতেও ব্যবহার করা যাবে এই তেলটি। সহজলভ্য বেশ কিছু আইল্যাশ সিরামের প্রধান উপাদান হিসেবেও ব্যবহার করা হয় ক্যাস্টর অয়েল।

অলিভ অয়েল

ময়েশ্চারাইজিং অলিভ অয়েল চোখের পাপড়ির ঘনত্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি দৈর্ঘ্য বাড়াতেও অবদান রাখে। মূলত এই তেলে থাকা এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড সমূহ ইমোলিয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। সেই সঙ্গে অলিভ অয়েলের প্রধান ধর্ম- ময়েশ্চারাইজিং চোখের পাপড়িকে মজবুতও করে।

নারিকেল তেল

মুখের ত্বক ও চোখের আশেপাশের ত্বকের জন্য জন্য উপকারী তো বটেই, খাঁটি নারিকেল তেল চোখের পাপড়ির জন্যেও দারুণ উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। এমনকি বেশ কিছু পরীক্ষা থেকে দেখা যায়, নারিকেল তেলের প্রোটিন চোখের পাপড়ি ঝরে যাওয়া প্রতিরোধ করতে কার্যকর।

গ্রিন টি

প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারিতার পাশাপাশি চোখের পাপড়ির জন্যেও উপকারী প্রভাব বিস্তার করবে। গ্রিন টি ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত ও আর্দ্র গ্রিন টিয়ের ব্যাগ চোখের উপর ১৫-২০ মিনিট রেখে দিতে হবে।ব্যাবহারবিধি। চোখের পাপড়ি ঘন করার জন্য আপনি যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রথমেই প্রয়োজন হবে মাশকারার অব্যবহৃত ও পরিষ্কার আই ব্রাশ। নিয়মিত আই ব্রাশ দিয়ে চোখের পাপড়িতে আলতো আলতো ভাবে তেল মাখিয়ে নিবেন। একমাস ব্যবহারে ভালো সুফল পাওয়া যাবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।