একটানা দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করেও ক্লান্ত হন না কিয়ারা, জিমে যাওয়ার আগে কী খান তিনি?

23rd January 2024 7:45 pm Country News
একটানা দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করেও ক্লান্ত হন না কিয়ারা, জিমে যাওয়ার আগে কী খান তিনি?


তারকাদের মতো চেহারা অনেকেই চান। প্রিয় অভিনেতাদের চেহারা, সাজগোজ, তাঁদের ফিটনেসে অনুপ্রাণিত হন অনেকেই। তারকাদের মতো চেহারা পাওয়ার বাসনা শুধু মনে মনে পোষণ করলেই চলবে না, তাঁদের মতো নিয়ম মেনেও চলতে হবে। কিয়ারা আডবাণীর ছিপছিপে চেহারার ভক্ত অনেকেই। কিয়ারা এমনিতে প্রচণ্ড ফিটনেস সচেতন। অভিনেত্রীর চেহারাতেও তাঁর ছাপ রয়েছে।

কিয়ারা ডায়েট তো করেনই, তবে শরীরচর্চায় তাঁর বেশি নজর। সময় পেলেই জিমে চলে যান কিয়ারা। দিনের অধিকাংশ সময় সেখানেই কাটান তিনি। দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করার শক্তি কোথা থেকে তিনি পান, সেটা একটা রহস্য। তবে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে কিয়ারা জানিয়েছেন, জিমে যাওয়ার আগে একটি মিল খান তিনি। সেটা খেয়েই একটানা শরীরচর্চা করার শক্তি পান কিয়ারা। শরীরচর্চার আগে কী খান তিনি?

 

জিমে পৌঁছনোর আগে পিনাট বাটার আর আপেল খান কিয়ারা। দিনের যে সময়েই শরীরচর্চা করেন, তার আগে এই খাবার খেয়ে নেনে। শরীর চাঙ্গা রাখতে আপেলের বিকল্প নেই। সেই সঙ্গে যদি জুটি বাঁধে পিনাট বাটার, তাহলে আরও বেশি সুফল পাওয়া যায়। আপেলে পিনাট বাটার মাখিয়ে খেলে আর কী কী উপকার পাওয়া যায়?

১) আপেলে রয়েছে ভরপুর পরিমাণে ফাইবার, যা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতেও আপেল উপকারী। দিনের শুরুতে কিয়ারার অন্যতম পছন্দের এই খাবার খেয়ে নিলে চনমনে থাকবে শরীর।

 

২) পিনাট বাটারে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, যার প্রভাবে দীর্ঘ পরিশ্রমেও সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়ে না শরীর। পিনাট বাটার ঘন ঘন খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমায়। সেই সঙ্গে শরীরে বাড়তি শক্তি জোগায়।

 

৩) পিনাট বাটার এবং আপেল— দুটোই প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ভিটামিন সি, মিনারেলস, ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ এই খাবারগুলি যেকোনও সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।