সন্তানধারণের ইচ্ছা? মিলনের আগে কী কী মেনে চলবেন, কোন ভুল একেবারেই করবেন না?

22nd January 2024 7:08 pm Country News
সন্তানধারণের ইচ্ছা? মিলনের আগে কী কী মেনে চলবেন, কোন ভুল একেবারেই করবেন না?


দু’জনে নানা বিষয় মাথায় রেখে হয়তো পরিকল্পনা করেছিলেন ঠিক কোন সময়ে আপনারা বাবা-মা হতে চান। সেই মতো মানসিক প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শও নিয়েছিলেন। যাবতীয় পরীক্ষা করে হয়তো দেখেছেন কোনও রকম শারীরিক সমস্যা নেই। অথচ অনেক চেষ্টা করেও কিছুতেই সন্তানধারণ করতে পারছেন না। আসলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চেষ্টা করার সময়ে অনেকেই ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন। দীর্ঘ অপেক্ষায় আরও মানসিক চাপ বাড়তে শুরু করে। তার প্রভাব পড়ে শরীরের উপরও। ফলে অন্তঃসত্ত্বা হতে আরও সময় লেগে যায়। অনেকেই ঠিক এই সময়ে বুঝতে পারেন না যে, তাঁরা অজান্তেই কিছু এমন ভুল করে ফেলছেন, যার জন্য আরও বেশি পিছিয়ে যাচ্ছে তাঁদের এই নতুন সফর। কিছু নিয়ম মানলেই এই নতুন পথচলা আরও মসৃণ হয়ে উঠবে। সেগুলি কী, জেনে নিন।

১) অনেকেই বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করান না। তবে সন্তানের ভাবনা ভাবার আগে অবশ্যই থ্যালাসিমিয়ার পরীক্ষা করানো জরুরি। এক জন রোগের কেরিয়ার হলে সমস্যা নেই৷ কিন্তু দু’জনই কেরিয়ার হলে সন্তানের মধ্যেও এই রোগ দেখা দিতে পারে। তাই আগে থেকে সতর্ক হওয়া জরুরি।

 

২) হবু মা-বাবাকে অতিরিক্ত বইরের খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত ক্যাফিন, ধূমপান-মদ্যপান বন্ধ করতে হবে। প্রতি দিন হালকা ব্যায়াম, রাতে সঠিক সময়ে ঘুমোনো ও সঠিক সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাসও জরুরি।

৩) সন্তানধারণের ক্ষেত্রে পিসিওডি রোগ একটি বড় বাধা হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই খাওয়াদাওয়ার রাশ টানলে, বাইরের ভাজাভুজি কম খেলে, নিয়মিত শরীরচর্চার মধ্যে থাকলে, স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চললে এই অসুখকে জব্দ করা সম্ভব। এই রোগ বাড়াবাড়ি পর্যায় পৌঁছলে গর্ভধারণেও সমস্যা হতে পারে। তাই মেদ ঝরিয়ে নিজেকে ঝরঝরে করে রাখার পাশাপাশি এই অসুখ থাকলে একটু নিয়ম মেনে চলা জরুরি।

৪) কোনও রকম ক্রনিক অসুখে আক্রান্ত হলে সন্তানধারণের আগে সেই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। থাইরয়েড, ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে সবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেই রোগকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি।

 

৫) প্রি প্রেগন্যান্সি কাউন্সিলিংয়ের চাহিদা এখন তুঙ্গে। সন্তানধারণের আগে এক বার সেই রকম কাউন্সেলিং করিয়ে নিতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।