প্রথম ডেটে যাওয়ার আগে শুধু সাজলেই হবে না, খেতেও হবে বুঝেশুনে, কোন খাবারগুলি খাবেন না?

19th January 2024 8:05 pm Country News
প্রথম ডেটে যাওয়ার আগে শুধু সাজলেই হবে না, খেতেও হবে বুঝেশুনে, কোন খাবারগুলি খাবেন না?


প্রথম ডেটে যাওয়ার আগের রাতটা উত্তেজনায় ঘুম আসে না অনেকেরই। কী পরবেন, কী ভাবে সাজবেন, উল্টোদিকের মানুষটির সঙ্গে কী ভাবে কথা বলবেন, কী বলবেন না— এই সব ভাবতে ভাবতেই রাত কাবার হয়ে যায়। অথচ ডেটে যাওয়ার আগে ডায়েট নিয়ে ভাবেন না অনেকেই। ডেটে যাওয়ারও যে ডায়েট হতে পারে, সে বিষয়ে অবশ্য অনেকেই ওয়াকিবহাল নয়। ডেটে যাওয়ার আগে এমন কিছু খাবার খাবেন না যা থেকে গ্যাস হতে পারে কিংবা মুখ থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে পারে। তা হলে এই সুন্দর মুহূর্ত নিমেষে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ডেটে যাওয়ার আগে এড়িয়ে চলুন কিছু খাবার।

রসুন

 

রসুন স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব ভাল হলেও অনেক সময়ই রসুন খেলে জিভে সালফার জমে যায়। রক্তে শোষিত হয়ে ফুসফুসের মাধ্যমে নিশ্বাসেও দুর্গন্ধ তৈরি করে। তাই রসুন খেলে অবশ্যই দাঁত মেজে নিন। দাঁত মেজে নিলে আর সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে সম্ভব হলে রসুন না খেলেই ভাল।

পেঁয়াজ

 

রসুনের মতোই অনেক ক্ষণ গন্ধ থাকে পেঁয়াজ খেলেও। কারণ, এই দুটো আনাজেই রয়েছে সালফিউরিক যৌগ। যা রক্তে শোষিত হয়ে নিশ্বাসে দুর্গন্ধ ফিরে আসে। তাই ডেটে যাওয়ার আগে পেঁয়াজ একেবারে নৈব নৈব চ।

দুধের খাবার

 

দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। কিন্তু দুধ খেলে জিভের ব্যাক্টেরিয়া দুধে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে নিশ্বাসে দুর্গন্ধ তৈরি করে। প্রেমের কথা বলতে গিয়ে যদি দুর্গন্ধ বেরোয়, সেটা কিন্তু ঠিক হবে না।

 

মুলো

 

মুলো খেলে যে মুখ থেকে বাজে গন্ধ বেরোয় তা সকলেই জানে। এর মধ্যে থাকা ‘আইসোথিওসায়ানেটের’ কারণে এমনটা হয়। তাই ডেটের আগে মুলো থেকে দূরে থাকাই ভাল। তা ছাড়া মুলো থেকে গ্যাস হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। শারীরিক অস্বস্তি নিয়ে প্রেম হয় না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।