কাঠের আসবাবে শিশুর আঁকিবুঁকি দাগ তোলার ঘরোয়া কিছু উপায় জানুন মায়েরা

18th January 2024 7:02 pm Country News
কাঠের আসবাবে শিশুর আঁকিবুঁকি দাগ তোলার ঘরোয়া কিছু উপায় জানুন মায়েরা


২ বছর বয়সী রাজন্যা। আঁকাআঁকি তার পছন্দের কাজ। তবে কাগজে নয়। প্রিয় ক্যানভাস ঘরের দেওয়াল আর সব আসবাব। হাতে রঙ নিয়ে ছোট ছোট পায়ে ইচ্ছেমতো দাগ টেনে যায় আলমারি, খাট, টেবিলসহ সব আসবাবে।বাড়িতে শিশু থাকলে আসবাবপত্র দাগহীন থাকবে এমনটা আশা করা বোকামি। স্বাভাবিকভাবেই রঙের দাগ, খেলনার আঁচড় জমতে থাকে শখের আসবাবে।মুছে বা পরিষ্কার করেও এই দাগ সহজে তোলা যায় না।গোছানো বাড়িতে দাগযুক্ত আসবাব দেখতে কারই বা ভালো লাগে। কিছু ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে এই দাগ সারাতে পারেন। কী সেগুলো? চলুন জানা যাক-

পাতিলেবুর রস।     কাঠের আসবাব থেকে সহজে দাগ উঠতে চায় না। এক্ষেত্রে পাতিলেবুর রসের ওপর ভরসা করতে পারেন। আসবাবের গায়ে যে অংশে দাগ লেগেছে, সেখানে কিছুক্ষণ তুলোয় করে পাতিলেবুর রস লাগিয়ে রাখুন। কয়েকদিন ব্যবহারে দাগছোপ উঠে যাবে।

নেলপলিশ রিমুভার।   কাঠ থেকে কঠিন দাগ তুলতে ব্যবহার করতে পারেন নেলপলিশ রিমুভার। এতে থাকে স্পিরিট যা অনেক জেদি দাগও ফিকে করতে সক্ষম।    ভিনেগার।   রান্নাঘরে থাকা ভিনেগার আসবাব থেকে দাগ দূর করতে পারে। তবে শুধু ভিনেগার ব্যবহার করা যাবে না। এতে আসবাবের ক্ষতি হতে পারে। ভিনেগারের সঙ্গে জল মিশিয়ে কাঠের আসবাবের গায়ে মাখিয়ে রাখুন। দাগছোপ চলে যাবে।    বেবি অয়েল।  শিশুদের জন্য ব্যবহার করা তেলও কিন্তু কাঠের আসবাব থেকে দাগছোপ দূর করতে দারুণ কাজ করে। কাঠের আসবাবের গায়ে ভালো করে তেল মাখিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। দাগ ফিকে হয়ে যাবে।গুঁড়ো সাবান।   কাপড় কাচার গুঁড়ো সাবানও কিন্তু আসবাবের জেদি দাগছোপ দূর করতে সমান কার্যকর। এক কাপ মতো জলে দু'চামচ ডিটারজেন্ট মিশিয়ে একটি মিশ্রণ বানিয়ে নিন। এবার আসবাবের গায়ে ভালো করে মাখিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। এরপর সুতির কাপড় দিয়ে মুছে নিলেই উঠে যাবে ময়লা দাগ।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।