বাড়িতে নিরামিষ হলেই খুদের মুখ ব্যাজার হয়ে যায়? রান্নায় স্বাদ আনতে ৩টি বিষয় মাথায় রাখুন

9th January 2024 9:39 pm Country News
বাড়িতে নিরামিষ হলেই খুদের মুখ ব্যাজার হয়ে যায়? রান্নায় স্বাদ আনতে ৩টি বিষয় মাথায় রাখুন


নিরামিষ রান্না হচ্ছে শুনেই মাথায় হাত পড়ে বাড়ির খুদে সদস্যদের। নিরামিষ মানেই তো সেই ডাল, তরকারি, পনির, ধোঁকা। ছোটদের আবার সব নিরামিষ রান্নার স্বাদ একই রকম বলে মনে হয়। মাছ, মাংস কিংবা নিদেনপক্ষে পাতে ডিম পেলেও হাসি চওড়া হয়। কিন্তু নিরামিষ পদ দেখলেই মুখ ব্যাজার হয়ে যায়। তাই বলে বাড়িতে কোনও দিন নিরামিষ হবে না, তেমন তো হতে পারে না। বরং নিরামিষ রান্নায় কী ভাবে স্বাদ আনা যায়, তার কৌশলগুলি জেনে রাখতে পারেন।

১) নিরামিষ রান্নার কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। ছানার কোফতা হোক কিংবা ধোঁকার ডালনা, তেলের বদলে এক দিন ঘি দিয়ে রান্না করুন। নিরামিষ খাবার দেখলেই বিরক্ত হওয়া তরুণীটিও চেটেপুটে খাবেন। ঘি দিয়ে রান্না করা যে কোনও খাবারই খেতে ভাল হয়। রোজ ঘি খাওয়া ভাল নয়। তবে সপ্তাহে এক-দু’দিন তাক থেকে ঘিয়ের কৌটো নামালে অসুবিধা হবে না।

২) পনির রান্না করছেন। এ দিকে, বাড়িতে টম্যাটো নেই। বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন টম্যাটো সস্‌। কিন্তু টম্যাটো যদি হেঁশেলে থাকে, তা হলে সস্‌ নয়, টম্যাটো বাটা ব্যবহার করুন। তাতে ঝোলও বেশ ঘন হয়। রান্নার স্বাদও টক-মিষ্টি হয়।

৩) রান্না শুধু স্বাদে এবং গন্ধে অতুলনীয় হয়ে উঠলেই হবে না, রং কতটা গাঢ় হয়েছে, সেটাও তো নজরে রাখতে হবে। অনেকেই খাবারে ফুড কালার ব্যবহার করেন। কিন্তু নিরামিষ কোনও খাবারে ফুড কালার ব্যবহার না করাই ভাল। রান্নায় রং আনতে বরং ব্যবহার করতে পারেন কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো। খেতে ভাল হবে, আবার দেখতেও সুন্দর লাগবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।