২ জানুয়ারি থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত রেজিস্ট্রি বিয়েও বন্ধ করার মর্মে নোটিস জারি করল নবান্ন!

2nd January 2024 7:41 pm Country News
 ২ জানুয়ারি থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত রেজিস্ট্রি বিয়েও বন্ধ করার মর্মে নোটিস জারি করল নবান্ন!


একে তো পৌষ মাস। হিন্দু শাস্ত্র মতে এমনিতেই এই মাসে বিবাহ সহ যে কোনও শুভকাজ করতে নিষেধ করা হয়। তবে বিয়ে মানেই তো সামাজিক বিয়ে নয়, আইনি মতে রেজিস্ট্রি করেও বিয়ে করেন অনেকে। কিন্তু আগামীকাল অর্থাত্‍ ২ জানুয়ারি থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত রেজিস্ট্রি বিয়েও বন্ধ করার মর্মে নোটিস জারি করল নবান্ন! 

পশ্চিমবঙ্গের বিবাহ রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের তরফে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। জানা গেছে, এই ৪ দিনে অন্তত ১ হাজার রেজিস্ট্রি বিয়ের আর্জিজমা পড়েছিল। কিন্তু সরকারের এই নির্দেশিকার পর তা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হচ্ছে। সূত্রের খবর, যে অনলাইন পোর্টাল মারফত রেজিস্ট্রির কাজ করা হয়, তার রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলবে এই কয়েকদিন। সেই কারণেই এমন নির্দেশ।

২০১৯ সাল থেকেই বিয়ের রেজিস্ট্রির জন্য আবেদন করা থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রেশনের পুরো পদ্ধতিটাই অনলাইনে করা হয়। স্বভাবতই সাইটে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চললে সেখানে রেজিস্ট্রির কাজ করা যাবে না। সূত্রের খবর, পোর্টাল বন্ধ হওয়ার নির্ধারিত দিনের মাত্র ৩ দিন আগে এই সংক্রান্ত নোটিস জারি করা হয়। যেহেতু অনেকের এই আইনি গাঁটছড়া বাঁধার ব্যাপারে সমস্ত প্রস্তুতি সারা হয়ে গিয়েছিল, তাই সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরে অনেকেই বিপদে পড়েছেন।

আইন বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ২০১৯ সাল থেকে পোর্টালের মাধ্যমে বাংলায় বিবাহ নিবন্ধন চালু হওয়ার পর বেশ কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিত, যে কারণে মাঝে মাঝে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টার জন্য পোর্টাল বন্ধ থাকার নজির রয়েছে। তবে চার দিনের বন্ধ থাকার এমন ঘটনা আগে ঘটেনি। 

তিনি আরও জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ১ নভেম্বর থেকে বিয়ের রেজিস্ট্রির জন্য বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাইকরণ চালু করা হয়েছে। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।