ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কোন সীমান্ত রয়েছে? দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের উত্তরপত্র দেখে তাজ্জব সকলে

23rd December 2023 9:43 pm Country News
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কোন সীমান্ত রয়েছে? দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের উত্তরপত্র দেখে তাজ্জব সকলে


ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কোন সীমান্ত রয়েছে? তার দৈর্ঘ্য কত? দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের উত্তর দেখে হাসির রোল উঠল সমাজমাধ্যমে। সমাজমাধ্যমে হিন্দি ভাষায় একটি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের উত্তরপত্রের ছবি ছড়িয়ে পরেছে। উত্তরপত্রে দেখা মিলল সংবাদমাধ্যমে কয়েক মাস আগেই চর্চায় থাকা ‘পাক বধূ’ সীমা হায়দরের প্রসঙ্গ। দ্বাদশ শ্রেণির এক জন ছাত্র উত্তরপত্রে লেখে, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে রয়েছে হায়দর, যাঁর উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি।

হিন্দিতে সীমান্তর অর্থ হল ‘সীমা’। তাই প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কোন ‘সীমা’ রয়েছে। জবাবে ছাত্র লেখে হায়দর। কয়েক মাস আগেই ভারতীয় প্রেমিকের টানে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন ‘পাক বধূ’ সীমা হায়দর। তাঁকে ঘিরে সমাজমাধ্যম এবং সংবাদমাধ্যম দুই-ই উত্তাল ছিল বেশ কিছু দিন। সেই বধূর প্রসঙ্গই উঠে আসে ছাত্রের উত্তরপত্রে। সমাজমাধ্যমে এই ভাইরাল উত্তরপত্রটি আসলে বাসেরির বাগথার উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের।

প্রসঙ্গত, অনলাইন গেম পাবজি খেলার সময় ২০১৯ সালে ভারতীয় যুবক সচিনের সঙ্গে পরিচয় হয় সীমার। সেখান থেকে প্রেম। ২২ বছরের যুবকের প্রেমে পড়ে প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার দূর থেকে ছুটে আসেন ৩০ বছরের সীমা। শুধু একা নন। সঙ্গে ছিল তাঁর চার সন্তান, যাদের সবার বয়সই সাত বছরের কম। ভিসা ছাড়া নেপালের মাধ্যমে বেআইনি ভাবে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগে ৪ জুলাই গ্রেফতার হন সীমা। তাঁকে আশ্রয় দিয়ে গ্রেফতার হন সচিন এবং তাঁর বাবা নেত্রপাল। পরে জামিনে ছাড়াও পান তাঁরা। সীমার ভারতে অনুপ্রবেশ নিয়ে ক্রমশ ঘনীভূত হয়েছিল রহস্য। অনেকেই সীমাকে পাকিস্তানেন গুপ্তচর বলে মনে করেছিলেন। জট ছাড়াতে তদন্তে নেমেছে উত্তরপ্রদেশ এটিএস এবং ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। সীমা আসলে কে? ভারতীয় প্রেমিকের টানে সীমান্ত পার করে আসা সাধারণ পাক বধূ, না কি পাকিস্তানি গুপ্তচর, তা-ই খুঁজে বার করতে এখনও তদন্ত চালাচ্ছেন গোয়েন্দা আধিকারিকেরা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।