পিলু-কে প্রধান চরিত্রে না দেখে ক্ষুব্ধ দর্শক, এক বছর পর ছোট পর্দায় আবার মেঘা

16th December 2023 11:13 pm Country News
পিলু-কে প্রধান চরিত্রে না দেখে ক্ষুব্ধ দর্শক, এক বছর পর ছোট পর্দায় আবার মেঘা


‘পিলু’-কে মনে আছে? ‘পিলু’ সিরিয়ালের মাধ্যমে প্রথম বার অভিনেত্রী মেঘা দাঁ-কে দেখেছিলেন দর্শক। যদিও একটি নাচের রিয়্যালিটি শো-এর মাধ্যমে ছোট পর্দায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সিরিয়ালটি শেষ হয়েছে প্রায় এক বছরের বেশি হবে। তবে এখনও মেঘাকে দর্শক পিলু নামেই চেনেন। তবে সিরিয়াল শেষ হওয়ার পর বেশ অনেক দিন হল ছোট পর্দায় দেখা যায়নি অভিনেত্রীকে। তবে তিনি সমাজমাধ্যমের পাতায় বেশ সক্রিয়। প্রথম সিরিয়ালে তাঁকে দেখা গিয়েছিল পুরুলিয়ার একটি গ্রাম্য মেয়ের চরিত্রে। ভোল বদলে দেখা দিলেন অভিনেত্রী। লাল ব্লেজ়ার আর স্কার্টে দেখা গেল তাঁকে। সদ্য শুরু হয়েছে ‘কথা’ সিরিয়ালটি। যেখানে নায়কের চরিত্রে দর্শক দেখছেন সাহেব ভট্টাচার্যকে এবং নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন সুস্মিতা দে। মাণ্ডবীর চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। সম্ভবত নেতিবাচক চরিত্রেই দেখা যাবে তাঁকে।

নায়িকাকে পার্শ্বচরিত্রে দেখে মোটেই ভাল লাগেনি তাঁর অনুরাগীদের। তাই নতুন রূপে মেঘাকে দেখা মাত্র মন্তব্যে ভরে উঠেছএ তাঁর সমাজমাধ্যমের পাতা। এক জন মন্তব্য করেছেন, “আপনি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার যোগ্য।” আবার কারও মন্তব্য, “কেন পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করছেন না আপনি?” আবার কেউ লিখেছেন, “সুস্মিতা নয়, কথার চরিত্রে আপানার অভিনয় করা উচিত ছিল।” তবে কারও মন্তব্যেই কোনও উত্তর দেননি মেঘা।

 

মাত্র কয়েক দিন হল শুরু হয়েছে এই সিরিয়াল। বহু বছর পর আবার ছোট পর্দায় দেখা যাচ্ছে সাহেবকে। অন্য দিকে, সুস্মিতা পর পর সিরিয়াল করে চলেছেন। তবে মাঝে তাঁর বেশ কিছু সিরিয়াল খুব কম সময়ের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ‘কথা’ সিরিয়ালটি দর্শকের কতটা ভালবাসা পায়, তা ক্রমশ প্রকাশ্য।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।